নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যেন আর কোনো সময়ই নির্বাচনীয় পথে বিচ্যুত না হয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত এবং আরও উন্নত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথপ্রদর্শক হবে।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টার কিছু আগে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর ভোটের জন্য সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সব আশঙ্কা কেটে গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্ত ভিত পেয়ে গেছে।
সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারির সকালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন হয়ে থাকবে। এই নির্বাচন গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের মূল অঙ্গীকার ছিল, আইন বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা ও একটি স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন। এই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কোথাও কোথাও যদি কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, তা অনিচ্ছাকৃত। গত দুই দিনের কিছু ঘাটতি থাকলেও, ভবিষ্যতে আমরা সেগুলো সংশোধন ও পূরণ করার জন্য চেষ্টা করব। নির্বাচনকে কেবল সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং একটি ব্যাপক দায়িত্ব মনে করে কমিশন কাজ করে গেছে।
দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, ভোটাররা ঈদের উৎসবের মতো পরিবেশে কেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নির্বাচন ঘিরে থাকা শঙ্কাও দূর হয়েছে। বাংলাদেশ আজ এক বিজয়ী জাতি।
অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চান, দেশি ও বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিএনসিসির শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।





