বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ নিশ্চিত করেছে যে, দেশীয় বাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে মাননীয় ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, যা আগের দিনের মূল্য ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকার চেয়ে বেশি। এই দাম পরিবর্তন আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।
সংগঠনটির সূত্রে জানা গেছে যে, তেজাবি বা পিওর গোল্ড ধরনের সোনার দামের বৃদ্ধি শহরগঞ্জে স্থানীয় বাজারেও দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকাশিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দরের নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের জন্য যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকার মূল্য ধার্য করা হয়েছে।
তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার জন্য প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
বৈশ্বিক বাজারেও সোনার দাম তুলনামূলকভাবে ঊর্ধ্বমুখী। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় ১১টা ২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি এই দামের স্তর ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, যেখানে ২৯ জানুয়ারি তা ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।
অতিরিক্তভাবে, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়, ফলে দেশের বাজারে রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটে। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস এই বৃদ্ধি ঘোষণা করে, যেখানে ভরিপ্রতি সোনার দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে যায়। এর ফলশ্রুতিতে মানসম্পন্ন এক ভরি সোনার দাম পৌঁছে যায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ। এই দাম আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে এবং দেশের বাজারে এমন বৃদ্ধি আগে কখনো দেখা যায়নি।





