শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

সুপার ৮ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হার মানে পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচের মূল কেন্দ্রে ছিলেন হ্যারি ব্রুক, যিনি দারুণ এক সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন। সাহিবজাদা ফারহানের হাফসেঞ্চুরি এবং পাকিস্তানের শাহীনের চার উইকেটের পর, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের অসাধারণ ইনিংসে ইংল্যান্ড দুই উইকেটে জয় লাভ করে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে, তারা এক ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট হয়েছে মোট চার, আর পাকিস্তান এই রাউন্ডে একমাত্র ম্যাচেই হেরে বাদ পড়েছে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের সূচনাটা ছিল საკმაოდ অপ্রত্যাশিত। প্রথম বলেই আফ্রিদির বোল্ড করে ফিল সল্ট ফিরে যান, যার পর ক্যাচ দিয়ে আউট হন জশ বাটলার। পাকিস্তানের পেসাররা এই সময় কঠোর চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর ব্রুক শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক, যদিও দলের অন্য ব্যাটাররা তার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। জ্যাকব বেথেল এবং টম ব্যান্টন দ্রুতই আউট হওয়ার কারণে কিছু চাপ পড়ে। তবে, ব্রুকের সাথে উইল জ্যাকসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের মোড় বদলে দেয়। ৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ব্রুক ২৩ বলে ২৮ রান করে ফেরেন, তবে তার অভাব কেউ অনুভব করেননি, কারণ জ্যাকস তার পরের ওভারে ভারসাম্য রক্ষা করেন।

শেষের দিকে ম্যাচের নাটকীয়তা জমে উঠে। জফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারা দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা ছিল আফ্রিদির চারটি উইকেট। অপরদিকে, পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে বেশ কিছু ধাক্কা খায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল সাহিবজাদার ৬৩ রানের স্মার্ট ইনিংস। তার এই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের স্কোর ১৬৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে প্রথম দিকে বেশ কিছু দ্রুত উইকেট হারানোর ফলে চাপ তৈরি হয়েছিল। বাবর আজম এবং ফারহান দুজনেই শান্তিপূর্ণ ব্যাটিং করেন, তবে বাবরের আউট হওয়া ও তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনাও হয়ে তোলপাড়। শেষ পর্যন্ত, উসমান খান এবং শাদাবের ছোট ছোট ইনিংসের মাধ্যমে পাকিস্তান তাদের স্কোর বড় করতে সক্ষম হয়, তবে জয়ের জন্য পর্যাপ্ত হয়নি। ইংল্যান্ডের ডাউনসন, ওয়ার্টন, এবং আর্চার ধারাবাহিক সুইং ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের প্রতিপক্ষ হয়।