শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের全部 জিতে অপরাজিত থাকতে সক্ষম হয়েছে, ফলে তারা সরাসরি টিকিট পেয়েছে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য। এই প্রথমবারের মতো, ১২টি দল অংশ নেবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যেখানে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, এবং ১২ জুন শুরু হবে এই জেতার মহাযুদ্ধের আয়োজন। এই টুর্নামেন্ট চলবে ২৪ দিন ধরে, শেষ হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বসে দুর্দান্ত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মঙ্গলবার নারী বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে থাকছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভেন্যুতে, যেখানে রয়েছে লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) ও ব্রিস্টল।

বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। ম্যাচ শুরু হবে সাড়ে দশটায়। একই বন্ধনে, ভারতের বিপক্ষে also খেলা হবে একই ভেন্যুতে। ১৭ জুন, ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, খেলাটি হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পরে, ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ার বোলের মোকাবিলা করবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরপর, বিশ্রামের পর, ২৫ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে, ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলেছে, যেখানে জিতেছে তিনটি। এবার বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নিজেদের দক্ষতা ও মান দেখানোর, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্তি প্রমাণের।