রবিবার, ১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা দীর্ঘ হলো

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হলো। অন্যদিকে, এ হার দিয়ে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছানো কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। ম্যাচটি শুরুতে নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান সংগৃহীত করে। ইংলিশ বোলাররা বল করুন, পুরো ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা কিছুটা সংগ্রাম করেছেন, তবে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রান তোলে। জবাবে ইংল্যান্ড ব্যাটিং শুরু করতে নেমে কিছুটা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। প্রথম দুই ওভারেই দুই ওপেনার সাজঘরে ফেরেন; ফিল সল্ট ৪ বলে ২ রান করে আউট হন এবং জস বাটলার খুবই দ্রুত শূন্য রানেই ফিরে যান। তার পরে ওপেনারদের অনুপস্থিতিতে দলনেতা হ্যারি ব্রুক এবং জ্যাকব বেথেল ক্রিজে আসেন। ব্রুক ২৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন, উইকেট হারান ১৬ বলে ২১ রান করে বেথেল। এরপর ব্যাট করতে নামেন স্যাম কারান, যিনি ২২ বলে ২৪ রান করেন। দলের জন্য বড় বিপদ ঘটে তখন, যখন ব্যান্টন ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হন। মনে হচ্ছিলো হয়তো ইংল্যান্ড ম্যাচ হারবে, কিন্তু সপ্তম উইকেটে উইল জ্যাকস এবং রেহান আহমেদের দৃঢ়তার কারণে ম্যাচটি তাদের পক্ষে যায়। জ্যাকস অপরাজিত থাকেন ২৮ বলে ২৮ রানে, এবং রেহান ১৯ বলে ১৯ রানে থাকেন। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং শুরু হয়েছিল কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। প্রথম ওভারে জোফরা আর্চার কঠিন পরীক্ষা দেন টিম সেফার্টের বিরুদ্ধে; তবে সেইফার্টের ব্যবধানে ৩৫ রান করে আউট হন। অন্য ওপেনার ফিন অ্যালেনের সাথে ৬ ওভারে ৫৪ রান যোগ করেন। সেইফার্ট ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান এবং অ্যালেন ১৯ বলে ২৯ রান করেন। স্পিনারদের মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং ধীর হয়। রাচিন রবীন্দ ১১ রানে আউট হন, এরপর গ্লেন ফিলিপস ৩৯ রান করেন, যদিও তার বাইরে কেউই উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ এবং কোল ম্যাককনচি ১৪ রান করেন। ইংলিশ বোলাররা খুবই কার্যকর ছিলেন; চার স্পিনার মিলে ৭ উইকেট শিকার করেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ প্রত্যেকই ২ উইকেট করে নেন, ফলে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা স্পিনের বাঁধনে পড়েন। ইংল্যান্ডের পক্ষে স্পিনাররা দুর্দান্ত পারফর্ম করেন, পুরো ম্যাচে ৭ উইকেট তুলে নেন। সহায়ক গতিতে বল করে তাদের অভিজ্ঞতা ফুটে ওঠে। এই জয়ে ইংলিশ ক্রিকেট দলের আগামীর দিকে আশা বাড়ছে, আর নিউজিল্যান্ডের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে এই হার, যা তাদের সেমিফাইনাল যাত্রায় অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।