মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলি সংশোধন করে একই ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কার দেওয়া সম্ভব করার পথ খুলেছে। বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির অনুচ্ছেদ ৭.১১ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।
সংশোধিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আগে যেখানে বলা ছিল কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় জাতীয় পর্যায়ের এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে না, এখন সেখানে শর্তসহ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কারপ্রাপ্তির পরে যদি অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন বা প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করে, তবে অন্তত ২৫ বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা যাবে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পটভূমিতে এবারের পুরস্কার প্রত্যায়নের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। তালিকায় থাকা একজন হলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, যিনি ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন। অতীতে একই ব্যক্তিকে ভুলবশত দুইবার মনোনয়ন দেওয়া হলে তাদের নাম তালিকায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবারে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম যাতে আবার ভুলভাবে বাদ না পড়ে, সে কারণে নির্দেশাবলি অনুকূলে সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনীটি প্রয়োগ হলে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা যাবে, যা জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি বহুমুখী ও সময়োপযোগী করায় সহায়ক হবে।





