বুধবার, ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিতভাবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আসন্ন ঈদের ছুটির মাঝে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং পরিষেবা চালু রাখা হবে। সরকারি ছুটির নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ মার্চ (বুধবার) তফসিলি ব্যাংকের সাধারণ শাখা-উপশাখা বন্ধ থাকলেও পোশাক শিল্প ও রফতানি লেনদেন সহজ করতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত সংখ্যক শাখা খোলা রাখা যাবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের আগে প্রস্তুত পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্যভাতা পরিশোধ এবং রফতানি বিল ক্রয়ের প্রয়োজন বিধানে ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট শাখায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত কর্মী নিয়ে সীমিত পরিসরে সার্ভিস চালু রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

খোলা রাখার সুযোগটি শুধু ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম এলাকায় অবস্থিত পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং শাখাগুলোর জন্য প্রযোজ্য। এসব শাখা ১৮ ও ১৯ মার্চ যথাক্রমে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই অফিস খোলা রাখবে এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে। কার্যক্রমের মধ্যে যোহরের নামাজের জন্য সকাল সোয়া ১টা (১:১৫) থেকে দেড়টা (১:৩০) পর্যন্ত বিরতি থাকবে। লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

এ ছাড়া বন্দর ও কাস্টমস এলাকায়—সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো চলমান নির্দেশনা অনুযায়ী সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) আমদানি-রফতানি সম্পর্কিত জরুরি কার্যক্রম সীমিত আকারে বজায় রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

ছুটি উপলক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ভাতা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় আনা জনস্বার্থজনিত এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাঙ্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।