বুধবার, ১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার প্রস্তুতি নিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

সভায় জানানো হয়েছে, এবার দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্রীয় মাঠেই ঈদুল ফিতরের জামাত হবে, যা সকাল সাড়ে সাতটায় (৭টা ৩০ মিনিট) শুরু হবে। আগেরবারের চেয়ে এবারের আয়োজন আরও সুব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার রেখে করা হবে। বিশেষভাবে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে সভায় নিশ্চিত করা হয়।

অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করতে সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো, রাত্রিকালীন পাহারা জোরদার, সামনের এলাকা ও প্রবেশপথে নজরদারি বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেয়ার উত্তেজনামূলক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বহিরাগত বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সমাগমকে মাথায় রেখে সার্বিক প্রস্তুতি নিতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকিয়া সুলতানা, হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মিহির কান্তি পাল, সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মল্লিক মোঃ ইমাম ও তাজউদ্দীন আহমেদ তাজ।

আরও উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, প্রশাসন শাখা প্রধান মোঃ জাবেদ এলাহী, এস্টেট শাখা প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রারের সচিব শেখ আফসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

সভায় গ্রহণ করা পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা পরিপত্র বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের কাছে সময়মতো পরিবেশিত হবে। প্রশাসন সবাইকে অনুরোধ করেছে—নির্ধারিত সময়ে মসজিদের নির্দেশনা মেনে চলা, ব্যক্তিগত মূল্যবান সামগ্রী সচেতনভাবে রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়ার জন্য।