গাজী আশরাফ হোসেন লিপু এই মাসেই জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব থেকে বিদায় নিচ্ছেন। পাকিস্তান সিরিজ জয়ের পর দীর্ঘ দায়িত্ব পালন শেষে তার কার্যকাল শেষ হচ্ছে এবং বিসিবি তার স্থলাভিষিক্ত নিয়োগের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বিসিবি আগে থেকেই প্রধান ও সহকারী নির্বাচকের পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। জাতীয় দলের নির্বাচক পদের আবেদন জমা দেয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছিল গত ৮ মার্চ। মোট ১৬ জন সাবেক ক্রিকেটার এই পদে আবেদন করেছিল এবং তাদের মধ্য থেকে সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর চূড়ান্ত বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। বাশার আগে সহকারী নির্বাচক হিসেবে কাজ করেও নির্বাচন সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা তাকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে আরও প্রাসঙ্গিক করেছে।
সহকারী নির্বাচক পদের জন্য দুইজনকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল—তুষার ইমরান এবং নাঈম ইসলাম। স্থিতিশীল সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত নাঈম ইসলামের নাম চূড়ান্ত করেছে বিসিবি; ফলে তিনি নতুন সহকারী নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ নিয়োগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
নির্বাচক প্যানেল গঠনে বিসিবির চার পরিচালক যুক্ত ছিলেন—ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও আব্দুর রাজ্জাক। সূত্রে বলা হচ্ছে, প্রধান নির্বাচকের মাসিক বেতন নির্ধারিত হয়েছে চার লাখ টাকা, আর সহকারী নির্বাচকের বেতন হতে পারে তিন লাখ টাকা। আগেই সহকারী নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হাসিবুল ইসলাম শান্তেরও একই স্তরের বেতন নির্ধারিত হতে পারে।
বিসিবি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলে নতুন নির্বাচকরা কার্যালয়ীয় কাজ শুরু করবেন এবং জাতীয় দলের জন্য নতুন নির্বাচন নীতিমালা ও পরিকল্পনা সাজাতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবে।





