খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠ একটি ঐতিহাসিক ও বৃহৎ ময়দান। এখানে প্রতি বছর হাজারো নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। আমরা নিশ্চিত করতে চাই মুসুল্লারা শান্তি ও সুষ্ঠু পরিবেশে সকলে নিরাপদে জামাতে অংশ নিতে পারেন। তাই মাঠের প্রস্তুতি কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় সম্পন্ন হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নাগরিকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপি কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তিনটি জামাতই খুলনা টাউন জামে মসজিদে যথাক্রমে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় আয়োজন করা হবে।
অন্যান্য স্থানে সময়সূচি অনুযায়ী ভালো আয়োজন করা হয়েছে—খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ এবং বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে। খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বায়তেন নূর জামে মসজিদে দু’টি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং সেখানে এবার মহিলাদের আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।
নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে নির্ধারিত সময় ও স্থানে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করতে, এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে।





