দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং নীতিমালা লঙ্ঘনের চিহ্ন দেখা গেছে বলে দুদক জানিয়েছে।
দুদকের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। বিশেষ করে তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন জাহাজ কেনা সংক্রান্ত এক প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়মের আভাস মেলে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার কথা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়; এতে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।
এছাড়া মোংলা বন্দরে ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং’ প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকায় ব্যবস্থা ও প্রস্তাবিত পদক্ষেপ সম্পর্কে দুদক পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে বলে জানানো হয়েছে।





