সোমবার, ২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে দুদকের অনুসন্ধান

দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে রবিবার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন সময় ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার বাজেটে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেনা হয়েছে মাত্র চারটি জাহাজ। এই ফাঁকে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার অর্থগত অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মোংলা বন্দরের পশু চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে দুদক জানিয়েছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কর্মোপায় গ্রহণ করতে শুরু করেছে।

দুদকের অনুসন্ধানকারী দল ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারী-পুরুষসহ সংশ্লিষ্টদের লিখিত নথি, চুক্তি কাগজ এবং আর্থিক দলিল বিশদভাবে যাচাই করবে। তদন্ত চালিয়ে গিয়ে প্রমাণ মেললে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সূত্রটি যোগ করেছে।