নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর, ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকায় গভীর রাতে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, নির্জন পরিবেশকে সুযোগ করে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে আসছিল।
ঘটনার according অনুযায়ী, জবাইয়ের জন্য প্রায় ২০টি ঘোড়া একটি খালি প্লটে এনে রাখা হয়। রাতের অন্ধকারে একের পর এক ঘোড়াগুলো জবাই করা হচ্ছিল। স্থানীয় প্লটের মালিক ঘটনাস্থলে গেলে রাত প্রায় তিনটার দিকে তিনি সরসরি ওই কাজের দৃশ্য দেখতে পান এবং দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও র্যাব-১ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আগমনে সেখানকার জবাইকারী চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে র্যাব-১ ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় ১১টি ঘোড়া উদ্ধার ও জব্দ করেছে। জানা গেছে, জবাই হয়ে গেলে মোট নয়টি ঘোড়া ইতোমধ্যেই কাটা হয়ে গিয়েছিল।
স্থানীয়রা বলছেন, পূর্বাচল এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম এবং অঞ্চলটি বিস্তৃত—এসব সুবিধা ব্যবহার করে চক্রটি নিরাপদ মনে করে এখানে এসব কাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, জবাই করা ঘোড়ার মাংস পরে বিভিন্ন স্থানে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হত।
এর আগে কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও মূল হোতাদের অধিকাংশই প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সফল হয়েছে। মাঝে মাঝে কয়েকজনকে আটক করা হয়েও চক্রটির নেতারা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, গাজীপুর ও নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকায় এই চক্রের কার্যক্রম বিস্তৃত।
স্থানীয়রা দ্রুত মূল সংগঠকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।





