মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভারত থেকে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জাহাজের সূচি ব্যাপকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে তাৎক্ষণিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রপথের পাশাপাশি অন্তর্গত পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির ওপর জোর দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ভারতের নুমালীগড়ের বাজার থেকে পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে ইতোমধ্যে ৭ হাজার টন ডিজেল পৌঁছেছে। এই চালানটি দিয়ে মার্চ মাসে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৯টায় এই ডিজেল সরবরাহের নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোতে কর্মরত ডেপুটি ম্যানেজার আহসান হাবিব চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, ২৮ মার্চ শনিবার প্রাতঃকালীন সময়ে (সকাল ৭টা) পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেলের সরবরাহ শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় পূর্বনির্ধারিত ১৪৬ ঘণ্টা ধরে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেডের পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে পৌঁছানো হয়েছে।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার অবিরতভাবে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়। এর পরের দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে, ফলে মার্চ মাসে মোট তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি সম্পন্ন হয়।

জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে, ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড এবং আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেলের সরবরাহ চলমান থাকবে, যা বাংলাদেশের পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে। এর ফলে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আরও সচেষ্ট হওয়া সম্ভব হবে।