বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রিজার্ভ কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত কিছুদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে কমে গিয়ে এখন ৩৩.৯৯ বিলিয়ন ডলারে এসে পৌঁছিয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের 최신 তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯.৩০ বিলিয়ন ডলার।  

আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেন, “মূলত বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানির জন্য পণ্য আমদানি মূল্য পরিশোধের কারণে রিজার্ভে কমতি এসেছে। তবে, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভের ওপর কিছুটা চাপ কমে গেছে। অন্যথায়, এটি আরও কমে যেতে পারতো। বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখনও সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।”

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, এর আগে গত ১৬ মার্চ রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৯.৫২ বিলিয়ান ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ বর্তমানে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।

বর্তমানে এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে গড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব, যা মোটামুটি পাঁচ মাসের আমদানি প্রয়োজনীয়তা পূরণে সক্ষম। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, দেশের কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয় নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত রিজার্ভ থাকা জরুরি। সেই দিক থেকে দেখা হলে, বাংলাদেশ এখনও স্বস্তিতে রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতি ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।