জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট শনিবার বিকেলে রাজধানীতে সমাবেশ ও মিছিল করে সংবিধান সংশোধন ও ‘জুলাই সনদ আদেশ’ সংক্রান্ত প্রতিবাদ জানাবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির বৈঠকের পর জামায়াতের সহকারী মহাসচিব হামিদুর রহমান আযাদ এ কথা বলেন। তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং দেশ চলমান রাজনীতিকে স্থবির করতে সংস্কারমূলক দাবি ও প্রস্তাবকে দমন করছে। আযাদ অভিযোগ করেন, সরকার সংবিধান পরিবর্তনকে রোধ করে শুধুমাত্র সীমিত সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে, তাই রাজপথেই তাদের সংগ্রামের পথ খুঁজতে হবে।
তিনি জানান, সমাবেশটি বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠকও হবে বলেও তিনি জানান।
পটভূমি হিসেবে—গত বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাড়ে সাতটায় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গণভোটের ফলের পর সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে তারা বিস্মিত ও আহত বোধ করেছেন। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল ওয়াকআউট করে। মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে, জুলাই সনদ আদেশ জারি না করার বিষয় ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘মিসকোড’ করার অভিযোগ তুলে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ চেয়ার থেকে বেরিয়ে যান।
স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা প্রতিকার চেয়েছিলেন—এটা কোনো দলের নয়, এতে সবাই একমত ছিল এবং নির্বাচনের আগে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণাও করা হয়েছিল। কিন্তু তারা যে প্রতিকার পায়নি, তা দেশের মানুষের রায়ের প্রতিফলন নয়। এই অবমূল্যায়ন সহ্য করা হবে না—এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিরোধীদল সিদ্ধান্তে ওয়াকআউট করেছে।





