লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম গত ১৭ বছর ধরে নিয়মিতভাবে চক্ষু চিকিৎসা শিবির পরিচালনা করে আসছেন। এই সময়ে তিনি প্রায় ১১ শতাধিক রোগীর ছানি অপারেশন, লেন্স সংযোজন ও নেত্রনালী সহ চোখের জটিল অপারেশন করে অনেক মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া লক্ষাধিক রোগিকে প্রাথমিক চিকিৎসা, ঔষধ ও চশমা প্রদানও করেছেন।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ এলাকার মাটি ও মানুষ আমার বেড়ে ওঠার জায়গা। আমি এ এলাকার সন্তান; মানুষের কল্যাণে নিজের আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে সেবা করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের কাছে এমপি বা মন্ত্রী নই, আমি আপনাদের সেবক। আপনারা আমাকে সুযোগ দিয়েছেন; আপনাদের কাছে আমি ঋণী। এ এলাকার মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি, তাই দোয়া ও সহযোগিতা চাই।
চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার সভাপতি ছিলেন পেড়িখালী মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ সুলতান আহমেদ। সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, মোংলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স. ম. ফরিদ, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, পেড়িখালী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর কুমার শিকদার, পেড়িখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মোতাহার আলী প্রমুখ।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত শিবিরে ২ জন বিশেষজ্ঞসহ মোট ৭ জন চিকিৎসক রোগীদের পরীক্ষা করেছেন এবং ছানি অপারেশনের জন্য প্রায় ৬ শতাধিক রোগীকে বাছাই করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে হাজার ছাড়াতে পারে। একই সময়ে প্রায় ৫ হাজার রোগিকে ঔষধ, চশমা ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে রামপাল ও মোংলা উপজেলার অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।





