খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, নগরবাসী যেন বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর পূর্ণ সুফল ভোগ করতে পারে। তিনি বলেন, খুলনায় বোটানিক্যাল গার্ডেন, খেলার মাঠসহ মানসম্মত বিনোদনকেন্দ্রের অভাব লক্ষণীয়। অনেক সরকারি জমি বর্তমানে অব্যবহৃত থাকা অবস্থায় সেগুলোকে বিনোদনের অনুকূল পরিবেশে রূপান্তর করার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ৭নং ঘাট এলাকা সরেজমিন পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন কেসিসি প্রশাসক। তিনি জানান, শহরের অভ্যন্তরে ছেলেমেয়েরা, পরিবার ও পর্যটকরা যে মানের বিনোদন ও বিশ্রামের সুযোগ পাক, সেই দিকটি বিবেচনায় রেখে অব্যবহৃত সরকারি জমি কার্যকরভাবে ব্যবহার করার প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৭নং ঘাট এলাকার পূর্ববর্তী উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন জার্মান সরকারের আর্থিক সহায়তায় করা হয়েছিল। আগামী ৯ এপ্রিল জার্মান সরকারের সাতজন পার্লামেন্ট সদস্য ও জার্মান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত খুলনা সফর করার কথা রয়েছে। সফরের সময় তারা জার্মান সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো সরেজমিন দেখতে আসবেন। এ প্রতিনিধিদলের সফরের আগেই প্রকল্প এলাকাগুলোর প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিতে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনে কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, সিসিএইউডি-এএমসি প্রকল্পের টিম লিডার মেহেদী হাসান, কেসিসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপসহকারী প্রকৌশলী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রূপসা ঘাটের পাশাপাশি ঘাট সংলগ্ন পন্টুন ও গ্যাংওয়ের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজের জন্য নির্দেশনা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সুশাসনের মাধ্যমে খুলনাবাসী আরও সুন্দর, নিরাপদ ও সংস্কৃতিবান্ধব বিনোদনালয় পাবে।





