থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এএফসি উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম ছিল একটি শক্তিশালী দল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের লড়াই জমে উঠেছিল। প্রতিযোগিতার তিনটি গ্রুপে চারটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম জন্য জন্য এই ম্যাচ ছিল অনেক কিছু। গ্রুপের অন্য দুই দল চীন ও থাইল্যান্ড ইতিমধ্যে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে ফেলেছে, তাই এই ম্যাচের ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাংলাদেশের জন্য। তবে বাংলাদেশের আশা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তারা পারলো না। গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে শেষ করে জাতিকে হতাশ করে তারা। কারণ ভিয়েতনাম জিতল—a victory that kept their hopes alive and eliminated Bangladesh from the tournament।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছিল। ১৩ মিনিটে সাগরিকা সতীর্থের থ্রু পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু শটটি ঠিকমত হয়নি। ২৬ মিনিটে আবারও উজ্জ্বল আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ, তবে অফসাইডে পড়ে গেলেন সাগরিকা, বলে চলে যায় গোলরক্ষকের কাছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম শেষের দিকে আক্রমণ বাড়াতে থাকলে বাংলাদেশ রক্ষণদলে চাপ পড়ে। ২৯ মিনিটে এনগান থি থানের শট ক্রসবারের উপরে দিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর, ৩৩ মিনিটে ভিয়েতনামের চাপ সামলেও, বাংলাদেশের মিলি আক্তার দুর্দান্ত রক্ষার মাধ্যমে গোলের সম্ভাবনাকে রক্ষা করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। ৫৩ মিনিটে থি থুই লিনহের দক্ষ হেডে ভুলে যায় বাংলাদেশের রক্ষা। এরপর ৮৬ মিনিটে, সতীর্থের আড়াআড়ি ক্রসে, থি থুই লিনের হেডটি পোস্টের বাইরে গেলে ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়া থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। এর আগেও, এই টুর্নামেন্টের অন্যান্য ম্যাচের মতো, বাংলাদেশের চোখে স্বপ্ন দেখতে দেখা শেষ হয়ে যায়। প্রথমবারের মতো উইমেন’স এশিয়ান কাপের মতো আয়োজনের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে, তিন ম্যাচে সবখানে হারে তারা। গ্রুপ পর্ব থেকে এবারও বিদায় নিতে হয় তাদের। এই হারে বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারের স্বপ্নভঙ্গ হয়, তবে এই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধ করবে।





