সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের দপ্তরি গ্রেফতার

কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক স্কুলছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, তার শরীরে ধর্ষণের চিহ্ন ছিল। এই ঘটনা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হোসেন ইমাম জানান, মেয়েটির শরীরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, পরীক্ষায় ধর্ষণের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। অপরদিকে, এই ঘটনায় মেয়েটির মা শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে মিরপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন, যেখানে বিদ্যালয়ের দপ্তরি হামিদুল ইসলামকে একমাত্র আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। শনিবার দুপুরে মিরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, হামিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আর এম ও হোসেন ইমাম বলেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং তার শরীরের পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। গাইনি ওয়ার্ডের মেডিকেল অফিসার সুষ্মিতা বিশ্বাস জানান, মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে মিরপুর উপজেলার একটি স্কুল থেকে অচেতন অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। সে ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। প্রথমে তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই দিন স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবাই বাড়ি ফিরে গেলেও ওই শিশু বাড়ি ফিরেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ নিতে গিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে দপ্তরির কাছ থেকে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে শিশুটির খোঁজ করেন।