বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার ঘোষণা করেছে যে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ ও বিনিময় করা বাধ্যতামূলক। নির্দেশনা মানা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোর সকল শাখায় নিয়ম অনুযায়ী ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং তা বিনিময়ে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য (রিসার্কুলেবল) নোট সরবরাহ করতে হবে। এই নির্দেশনা আগেই থাকলেও বাজারে এসব নোটের আধিক্য এখনো রয়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে সমস্যা তৈরি করছে। তাই ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ করতে হবে এবং নির্ধারিত কাউন্টার বা শাখা এলাকাগুলোতে তা বিনিময় করতে হবে। গ্রাহক যে নোটগুলো দিতে চান সেগুলো উপযোগী না হলে ব্যাংককে অবশ্যই ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে যে কোনও শাখা যদি এই সেবা দিতে অনীহা দেখায় বা গাফিলতি করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্দেশনাটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারা প্রয়োগ করে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথম থেকেই জনগণের নগদ লেনদেনকে ঝামেলামুক্ত রাখতে এই নির্দেশনা বলবৎ রাখতে চায় এবং ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে তা लागू করার আহ্বান জানানো হয়েছে।





