দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে, তবে আশা করা হচ্ছে এটি শীঘ্রই প্রশমিত হবে। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের (১২০ ঘণ্টার) আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি বর্ধিত লঘুচাপ অবস্থান করছে যা মৌসুমী পরিবর্তনের সূচক।
প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। সর্বত্রই দিনে তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পাবে। রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলমান থাকলেও এটি ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে বলে আশা করছে আবহাওয়া বিভাগ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর, পরবর্তী ৩৪ ঘণ্টা অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টিপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যেতে পারে।
এছাড়া, শনিবার সন্ধ্যার পর, দেশের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থান, অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সামান্য শুষ্ক থাকবে। এ সময়ে সারাদেশে তাপমাত্রা অব্যাহতভাবে কার্যত অপরিবর্তিত থাকলেও, দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও হালকা বাড়তে পারে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) এবং সোমবার (২০ এপ্রিল) এর মতো পরিস্থিতিতে, বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎচমকানো ঝড় ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বমোট, এই পাঁচ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় ঝড়-বজ্র এবং শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। এটি দেশের জনজীবন ও কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আপডেট, যা সবাইকে সতকর্তা অবলম্বন করতে উৎসাহিত করেছে।





