বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া শেষবার ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ২০১১ সালে, যা বাংলাদেশের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আশানুরূপভাবে এই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে, কারণ এবার দুই দলের মধ্যে ওয়ানডে সিরিজের পাশাপাশি দুই ও টি-টোয়েন্টির সিরিজও অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ দুটি জন্য দুই ভেন্যুতেই মোট ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথমে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৫, ৮ ও ১১ জুন বাংলাদেশের সাথে তিনটি ওয়ানডে খেলার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। পাশাপাশি তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও ধারাবাহিকভাবে ১৫, ১৮ ও ২০ জুন হওয়ার কথা ছিল। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এখন এই সূচিতে কিছু পরিবর্তন করেছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ ৯, ১১ ও ১৪ জুন মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর, এই সিরিজের ওয়ানডে শেষে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দলগুলো চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে, যা নির্ধারিত হবে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন।
সমস্ত ওয়ানডে ম্যাচগুলো দিনব্যাপী হবে এবং প্রতিটিতে শুরু হবে দুপুর ২টায়। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে, তবে শেষ ম্যাচটি দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বড় দারুণ খবর হল, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি শেষটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে হয়নি উল্লেখযোগ্য সময়, যা ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া অ্যান্টিগায় বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের থেকে ২৮ রানে জিতেছিল। এছাড়া, ২০২১ সালে বাংলাদেশে এসে অস্ট্রেলিয়া ৪-১ ব্যবধানে সিরিজটি হেরেছিল।
পরিস্থিতির কথা বললে, বর্তমানে বাংলাদেশে সফরে আছে নিউজিল্যান্ড। মিরপুরে আজ শুরু হয়েছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যার দ্বিতীয় ম্যাচও মিরপুরে হবে সোমবার। চট্টগ্রামে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ওয়ানডে। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির ভেন্যুও চট্টগ্রাম, সব মিলিয়ে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল খেলা হবে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে মিরপুরে, যা ২ মে। এই সিরিজের সময়ে দুই ভেন্যুতেই দর্শকদের আন্তরিক অনুপ্রেরণা ও উত্তেজনা থাকবে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক বড় খুশির বিষয়।





