বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ বিলিয়ন ৬০৭ মিলিয়ন ডলার (৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার), যা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে, প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এই তথ্য জানতে চান।
রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত? এর পরিশোধে এখন পর্যন্ত কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোন ঋণ কি পরিশোধ করেছে?
উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের হিসাব অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ৭৮.০৬৭.২০ বিলিয়ন ডলার।’ তিনি আরও জানান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছরই এই পরিমাণের ভিত্তিতে ঋণের মূলধন ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয় নিরীক্ষিত হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করে। এরপর বাজেটের অর্থ ব্যয় করে সুনির্দিষ্ট সময়সূচী অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ সম্পন্ন হয়।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ হয়েছে।’ এভাবে অর্থনীতির স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।





