রামপাল উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলমগীর কবির বাচ্চু ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কাজী অজিয়ার রহমানসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক হত্যা মামলার প্রতিবাদে বুধবার এক বিশাল বিক্ষোভ ও থানা ঘেরাও করা হয়েছে। ওই সময় আন্দোলনকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দফতরে স্মারকলিপিও প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় রামপাল থানার সামনে শুরু হওয়া অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলার নানা ইউনিয়ন থেকে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল করে যোগ দেন। অল্প সময়ের মধ্যেই থানা চত্বর জনসমুদ্রে পরিণত হয় এবং বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্বরা। তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে হচ্ছে হয়রানি আর প্ৰতিপক্ষকে কণ্ঠরোধ করার উদ্দেশ্যে নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বক্তারা দাবি করেন, আলমগীর কবির বাচ্চু, কাজী অজিয়ার রহমান ও বিএনপি নেতা আ. ওহাবসহ মোট পাঁচজনের নামে দায়েরকৃত মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও জানান, মামলাটি নয় তথ্যভিত্তিক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত; এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা স্বীকার্য নয়। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা না প্রত্যাহার করা হলে আরও কঠোর ও লাগাতার আন্দোলনের হুমকি দেন।
বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীদের একটি প্রতিনিধি দল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসীর কাছে লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করে। স্মারকলিপিতে সুষ্ঠু তদন্ত করে যেকোনো অনৈতিক ও ভুয়া মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শেখ ফিরোজ করির, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, বাগেরহাট স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ডালিম ফকির ও রামপাল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাজহারুল ইসলাম ইয়ামিনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলাকালে অনির্দিষ্ট ঝামেলা এড়াতে থানা ও উপজেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকতে দেখা যায়।





