শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

একদিনে ফের স্বর্ণের দাম কমল

দেশের বাজারে এক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও দাম কমায় সংগঠনটি — ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দর প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা (ভ্যাটসহ)। নতুন এই মূল্য বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টা থেকে কার্যকরি হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকায় প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ধার্য করা হয়েছে এভাবে: ২২ ক্যারেট — ২,২৩,০৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেট — ২,১৩,০৪৩ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ১,৮২,৯৫০ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণ — ১,৪৯,৪৭৪ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে এই নতুন মূল্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে। যশকিন ও নকশা অনুযায়ী মজুরি (ওয়ার্কম্যানশিপ চার্জ) আলাদা হিসেবে যোগ করা হবে। যেহেতু স্বর্ণালংকারের বিক্রয়মূল্যে ভ্যাট ইতোমধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই গ্রাহকদের কাছে ভ্যাট আলাদাভাবে দাবি করা যাবে না।

অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজে আগের নিয়ম অনুযায়ী গণনা করা হবে — অর্থাৎ ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য পৃথকভাবে বিবেচনায় রেখে পূর্ববতী নিয়ম বহাল থাকবে। রুপার অলংকারে ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত শিগগির জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার বাজুস স্বর্ণের দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দাম প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।

টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের ফলে এক সপ্তাহের মধ্যে স্বর্ণবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় কাঁচা স্বর্ণের দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে মূল্য আবারও সমন্বয় হতে পারে।