বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কেসিসি প্রশাসক ময়ূর নদীর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রিজ পরিদর্শন

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মঙ্গলবার সকালে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাহাতাব উদ্দিন সড়কের শেষ প্রান্তে ময়ূর নদীর ওপর স্থাপিত ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রিজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

একজন সাংবাদিকের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিজটি দেখতে যান। পরিদর্শনে প্রশাসক ব্রিজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, জনসাধারণের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে এখানে দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি। তিনি জানান, বর্তমান কাঠের ব্রিজটি বদলে স্থায়ী ও নিরাপদ একটি রূপ দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ময়ূর নদীতে একাধিক ব্রিজ নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) অনুরোধ করা হয়েছে। এলজিইডি দুইটি ব্রিজের নকশা প্রস্তুত করেছে, তবে এই ব্রিজটি ওই তালিকায় নেই। তিনি বলেন, এ ব্রিজটির নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে এলজিইডিকে পুনরায় জানানো হবে; যদি প্রয়োজন হলে সিটি কর্পোরেশন নিজেই উদ্যোগ নেবে।

প্রশাসক দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে ময়ূর নদীর কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করারও নির্দেশ দেন যাতে নৌপরিবহন ও পানি নিষ্কাশনে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

পরিদর্শনে কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, হুমায়ুন কবীরসহ স্থানীয় উর্ধ্বতন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রশাসক গল্লামারী ব্রিজ সড়কের সম্প্রসারণ কাজ, বাব এ সালাম আবাসিক এলাকার বিভিন্ন রাস্তা, ছবেদ আলী লেন, সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও মাহতাব উদ্দিন সড়ক, খালিশপুরস্থ বাস্তুহারা কলোনির ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ও পানি নিষ্কাশন এবং পোর্ট কলোনির অভ্যন্তরে স্লুইচগেট নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। ওই পরিদর্শনেও স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক জানান, নগরবাসীর নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের চলাচলের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে।