শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

গোল সমান হলেও গোল্ডেন বুটে এগিয়ে এমবাপে

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপে খেলার উত্তাপ বাড়িয়েছেন—শুধু ফ্রান্সকে লিডই এনে দেননি, বরং গোল্ডেন বুটের দৌড়েও লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলেছেন।

প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টি মিসে হতাশ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া চমৎকার এক শটে গোল করে ম্যাচে ফের সূচনায় ফিরিয়েছেন এমবাপে। এই গোলের সাথে তাঁর টুর্নামেন্টে গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টিতে, যা আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সঙ্গে সমান।

তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী গোল সমান হলে অ্যাসিস্ট বেশি যাঁর, তিনিই গোল্ডেন বুটে এগিয়ে থাকেন। এমবাপে মরক্কো ম্যাচে ওসমান দেম্বেলেকে গোল করিয়ে দেন—এই অ্যাসিস্টটি যোগ হওয়ায় তাঁর চলতি আসরের অ্যাসিস্ট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩টিতে। ফলে মোট সরাসরি অবদানের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৮ গোল + ৩ অ্যাসিস্ট = ১১টি। মেসির অ্যাসিস্ট কম থাকায় টাইব্রেকারে এমবাপে গোল্ডেন বুট তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন।

এই অর্জন দিয়েই এমবাপে এক অদ্ভুত উচ্চতায় পৌঁছেছেন—একই বিশ্বকাপে সরাসরি ১১টি গোলজড়িত অবদান রেখে তিনি ১৯৭০ সালের জার্মান তারকা গার্ড মেুলারের (১০ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট) পর থেকে এমন উচ্চতায় যাওয়া একজন খেলোয়াড় হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।

তার ওপর, এমবাপে এখন বিরল এক রেকর্ডেরও মালিক: ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনও খেলোয়াড় পরপর দুইটি বিশ্বকাপে ১০ বা তার বেশি সরাসরি গোল-অবদানে পৌঁছেছেন—২০২২ বিশ্বকাপে ১০টি এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১১টি।

মাঠের লড়াই যত গরম হবে, গোল্ডেন বুটের রেস ততই নাটকীয় হতে থাকবে। এমবাপে ও মেসির দ্বৈরথ পুরো টুর্নামেন্টকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে এবং প্রতিটি ম্যাচ এখন শুধু দলগত সাফল্য নয়, ব্যক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিক থেকেও নজর কাড়ছে।