শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি পদক্ষেপ: অবৈধ পণ্য আটকের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরের বিষয়টি সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি জানান, তাকে জড়িয়ে যে মানহানি ও বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

পোস্টে মেহজাবীন স্পষ্ট করে বলেন, সম্প্রতি যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি নিশ্চিত করে জানান, কখনোই বিমানবন্দরে তাকে থামানো হয়নি, তার হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি। এমনকি তার লাগেজ থেকে কোনও অবৈধ কোনো জিনিস পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনও অফিসার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বা তার সাথে কোনও ধরনের অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম হয়নি।

অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, কি কোনও ছবি বা ভিডিওপ্রমাণ আছে যেখানে দেখানো হয়েছে তার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু উদ্ধার হয়েছে? তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, দুর্ভাগ্যবশত মানহানি এখন খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা এই খবর ছড়িয়েছে, তারা কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি বা দিতে পারেনি যে তার লাগেজে কিছু অবৈধ ছিল। তবে ক্লিকবেইটের জন্য অপ্রয়োজনীয় ছবিতে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক ও দুশ্চিন্তার কারণ। এই ধরণের অপ্রচার ও ভুল খবরের কারণে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে মনে করেন মেহজাবীন, এবং স্পষ্টতই জানান, এই বিষয়ে তিনি কোনও সংশ্লিষ্টতা বা অংশিদারিত্ব রাখেন না।

এর আগে, রোববার সকালে তিনি এক পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন যে, কয়েকদিন ধরে তাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি এক আইনি জটিলতায় পড়ে ছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আবার ওই বিতর্কের সূত্রপাত হয় এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে, যেখানে বলা হয়েছিল, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে তাঁর সঙ্গে স্বামীর মদসহ আটক হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ অমূলক ও অসত্য। এই পরিস্থিতিতে, মেহজাবীন স্পষ্ট করে দেন যে, এই সব অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর খবরের বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।