শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বিরোধী ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে নির্মূল করতে হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন একান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বুধবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও মারাত্মক-নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র লুকানো ছিল। যদি এই রহস্য উন্মোচন না করা যায়, তবে দেশকে আবার কেউ না আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারে। তাই, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখে যারা এর নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের নাম-পরিচয় 밝혀 না হলে জাতির মুক্তি হবে না। প্রতিটি আসামিকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের অশ্রু, আহাজারি অসহ্য বোঝা, যা জাতির জন্য যেন এক অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুবিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পরওয়ার আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার আর অপেক্ষা করতে পারে না। এটি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। যারা বিচার উপলক্ষে আলোর বদলে নাটক সাজিয়ে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের কারাদণ্ড দিয়েছেন, তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ কার্যকরভাবে দিতে হবে। অনুষ্ঠানে জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এক ধরনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে। এর পেছনে মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রিয় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেশের স্বার্থ রক্ষা ও আধিপত্য বিস্তার। এই পরিকল্পনায় তারা অনেকটাই সফল হয়েছেন। গভীর আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মান্নান ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।