রবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রোববার থেকে মার্কেট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার খবরের পর থেকেই তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা জেগে উঠেছে, ফলে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট ঠেকাতে নানা সংস্থাই সাশ্রয়ের কৌশল নেবার কথা ভাবছে।

এই প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনের সভাপতি হেলাল উদ্দিন শনিবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের জানান, সংকটকে প্রাক-শর্ত হিসেবে ধরে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোববার থেকে সব মার্কেট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধ এবং অপ্রয়োজনীয় বাতি নিভিয়ে রাখতে হবে। তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিকভাবে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি এবং তারা যেকোনো কারণেই হোক সাশ্রয়ী হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।

সমিতি বিশেষত সাজসজ্জা আলোক, ফ্যাসাদ লাইট ও অপ্রয়োজনীয় নীয়ন বা প্রদর্শনী আলো বন্ধ রাখার অনুরোধ করছে, যাতে বিদ্যুৎ ও তেলের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায়। দোকানগুলোকে গ্রাহক সেবায় কোনো প্রভাব ফেলবে না এমনভাবে প্রস্তুতি নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে সরকার ইতোমধ্যেই অভ্যন্তরীণভাবে জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, তেল নিয়ে উদ্বেগের বাইরে কিছু নেই, কারণ দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, তেল স্টক করে রাখার অপচেষ্টা রোধের জন্য রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) চালানো হবে।

দোকান মালিক সমিতি ও সরকারের দ্বৈত উদ্যোগের ফলে সংরক্ষণ ও চালান-বণ্টনে সমন্বয় তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। সমিতি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদেরও সহযোগিতা কামনা করেছে, যাতে অপ্রয়োজনীয় শক্তি ব্যবহার কমে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া যায়।