জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে দেশজুড়ে যানবাহনের জন্য কার্যকর করা জ্বালানি তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেয়া হবে এবং বিক্রি স্বাভাবিকভাবে চলবে। তিনি এই তথ্য শনিবার (১৪ মার্চ) নিশ্চিত করেছেন।
সরকার গত ৬ মার্চ থেকে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছিল। সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল তখনকার বণিক পরিবহন ও সরবরাহ নিরাপত্তা বিবেচনায় — ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
রেশনিং শুরু করার সময় সরকারের নির্দেশনায় বিভিন্ন যানবাহনের জন্য দৈনিক তেলের নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করা হয়েছিল। তখন মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০–২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০–২২০ লিটার বিক্রির সীমা ধরা হয়েছিল।
পরবর্তীতে কিছু শিথিলতা আনা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে সারাদেশে কার্যকর করা রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ইতিমধ্যে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকার রেশনিং তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে সামঞ্জস্যপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যাবে।





