সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রিয়াদ ও আল-ধাফরাকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের আকাশে পৌঁছানোর আগেই কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে রোববার (১৫ মার্চ) বলা হয়েছে, রিয়াদ মহানগর এলাকায় চারটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আল-ধাফরা ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তারা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও অজ্ঞাতসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করেছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে—এই তারিখে দাবি করা হয়েছে যে লক্ষ্য সেই স্থাপনাকেই ছিল। এসব দাবি ও প্রতিরোধ কার্যক্রম স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে সৌদি আরব ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে; আন্তর্জাতিক রিপোর্টগুলোতে জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জনবহুল এলাকা লক্ষ্য হতে পারে বলে বলা হয়েছে। ইরানি হামলায় এখন পর্যন্ত সৌদিতে অন্তত দুইজন নিহত ও ১২জন আহত হয়েছেন, এমন খবর পাওয়া গেছে।

একই সময়ে ইসরায়েলে গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে—টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে ওই সময় আহত ১০৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের সুনির্দিষ্ট কারণ বিস্তারিত জানায়নি; ধারণা করা হচ্ছে দফায় দফায় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা লেবানন থেকে নিক্ষিপ্ত রকেটের আঘাত,বা নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে আহত হওয়ার ঘটনাও থাকতে পারে।

সরকারি ও মিডিয়া সূত্র মিলিয়ে বলা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৮১ জন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি।