বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সূত্রে জানানো হয়, এই অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার একটি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু শেষপর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজই কেনা হয়। এ কারণে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদকের তথ্যে বলা হয়েছে।

এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর নালা (পশুর চ্যানেল) সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দে বড় ধরনের অনিয়মেরও অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন, দরপত্র প্রক্রিয়া ও খরচের হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থায় নিয়োগ ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সম্পর্কিত অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।

দুদক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তদন্ত চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো জানানো হবে।