শুক্রবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কুয়েতে দ্বিতীয় তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা; দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার ধারাবাহিকতা বজায় আছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোন আঘাত হানার ফলে সেখানে তীব্র অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে।

হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়লে কর্মীরা দ্রুতই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং কেপিসি জানায় যে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্থাপনায় সুরক্ষা বজায় রাখতে সব প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এর আগে মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারেও ড্রোন হামলার খবর আসে; সে ঘটনায় কোম্পানি জানিয়েছে কোনো হতাহত হয়নি। এক দিনের ব্যবধানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারে হামলা হওয়ায় কুয়েতের তেল উৎপাদন ও রপ্তানি সংক্রান্ত নিরাপত্তাকে নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নভ কাঠামোর বাইরে, কাতারের রাস লাফান ও ইরানের গ্যাস ক্ষেত্রেও সাম্প্রতিক হামলার খবর মিলেছে, যা পুরো অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও নাজুক করে তুলেছে। কুয়েত সরকার এখনো কোনো পক্ষের দায় স্বীকার বা প্রতিপক্ষের নাম ঘোষণা করেনি।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা এসব ‘জ্বালানি লক্ষ্যভিত্তিক’ হামলা বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। মিনা আবদুল্লাহ ও মিনা আল-আহমাদি—উভয় শোধনাগারই কুয়েতের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; তাই এই ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা হচ্ছে।