রবিবার, ২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৪ কনসার্টে দিলজিৎ দোসাঞ্জের আয় ৯৪৩ কোটি; ট্যুরে গড়ে উঠল বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

কনসার্ট কি শুধু গান আর মজা—নাকি তার পেছনে লুকানো থাকে বিশাল অর্থনীতি? দিলজিৎ দোসাঞ্জের সাম্প্রতিক ট্যুর সেই প্রশ্নের জবাব দিয়েছে স্পষ্ট করে।

মাত্র ১৪টি শোতে, ১৩টি শহরে সাতরঙা বিনোদন প্রদর্শনের পাশাপাশি এই ট্যুর থেকে সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকা। টিকিট বিক্রিতে এসেছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপ থেকে পাওয়া আয় ৩৩ কোটি ও সরাসরি সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১১৪ কোটি টাকার বেশি। প্রতিটি শো এখন একেকটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রের কাজ করেছে।

কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব—ভ্রমণ, হোটেল, খাবার-পানীয় ও কেনাকাটা মিলিয়ে সূত্রগুলো দাঁড়িয়েছে ৫৫৩ কোটি টাকার একটি বিশাল प्रभावে। প্রায় ৩৮ শতাংশ দর্শক অন্য শহর থেকে এসে কয়েকদিন অবস্থান করেছেন; ফলে কনসার্ট জাতীয়ভাবে শহরের পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসাকে নতুন গতি দিয়েছে।

দর্শক উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো—১৪টি শোয়ে মোট দর্শকসংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি, আর দিল্লির একক শোতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। সব শোই আগেভাগেই হাউসফুল; বিশ্বমঞ্চের বড় তারকাদের সঙ্গে তুলনা করলে এখনও কিছু জায়গায় উন্নতির অবকাশ থাকলেও, এই সাফল্য দিলজিৎকে আন্তর্জাতিক ট্যুরিং মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছে।

রাইজিং ইকোনমির আরেকটি দিক হলো কর্মসংস্থান—এই ট্যুরে তৈরি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টার কাজ। লজিস্টিকস, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নানা ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান এবং আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সারসংক্ষেপে, দিলজিৎ দোসাঞ্জের ডিল-লুমিনাটি ট্যুর শুধুমাত্র একটি সঙ্গীত উৎসব ছিল না—এটি পুরো একটি অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেমের জন্ম, যা স্থানীয় ব্যবসা, পর্যটন ও কর্মসংস্থানে দৈত্যাকার প্রভাব ফেলেছে।