সোমবার, ২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পিএসএলে খেলতে ছাড়পত্র পেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ পাঁচ বাংলাদেশি

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পাঁচ জন ক্রিকেটারকে অনাপত্তি পত্র (এনওসি) দিয়েছে। এ ছাড়া তারা এই মৌসুমে লিগে খেলতে পারবেন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত—১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

এনওসি পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমন। মুস্তাফিজকে সরাসরি চুক্তিতে দলে ভেড়িয়েছিল লাহোর ক্যালান্দার্স, পাশাপাশি পারভেজ ইমনও লাহোর দলে জায়গা পেয়েছেন। রিশাদ হোসেনকে নিয়েছে রাওয়ালপিন্ডি (পিন্ডিজ), আর নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামকে দলে নিয়েছে পেশোয়ার জালমি।

শরিফুল প্রথমবারের মতো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ডাক পেয়েছেন—কয়েক দিন আগেই তিনি পাঞ্জম বাংলাদেশি হিসেবে পিএসএলে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ত্রয়ী নাহিদ-শরিফুল-পেশোয়ার জালমির জার্সিতে ময়দানে দেখা যাবে, আর রিশাদ খেলবেন রাওয়ালপিন্ডির হয়ে।

পিএসএল আর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সূচির সমন্বয় করেই বিসিবি এই সীমাবদ্ধ সময়ের এনওসি দিয়েছে। বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা এখনও কম থাকলেও এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসছে। স্কোয়াডকে ওই সিরিজের জন্য দেশে রাখা এবং প্রয়োজনীয় বিকল্প থাকে—এগুলো বিবেচনায় রেখেই ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এনওসি দেওয়া হয়েছে বলে বোর্ডের বিশ্বস্ত সূত্র ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছে।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ওয়ানডে সিরিজে আমাদের প্রয়োজনীয় খেলোয়াড়রা আমরা ছেড়ে দেব না। তবে যদি মনে হয় কোনো খেলোয়াড়ের পিএসএলে খেলা তার টি-টুয়েন্টি উন্নয়নের জন্য ভালো হবে এবং একইসঙ্গে আমাদের বিকল্প আছে, তাহলে ছাড় দেয়া হবে।

পিএসএল ২৬ মার্চ দিয়ে শুরু হচ্ছে। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাহোর ক্যালান্দার্স ও হায়রাবাদ হিউস্টন—সুতরাং প্রথম দিনেই মুস্তাফিজ ও ইমনের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তৃতীয় দিন ২৮ মার্চ রয়েছে রিশাদ, নাহিদ ও শরিফুলের খেলার সম্ভাব্য ম্যাচ। যদি তারা সবাই একাদশে থাকে, তাহলে পেশোয়ার জালমি বনাম রাওয়ালপিন্ডির ম্যাচে জাতীয় দলের সতীর্থরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন।

এভাবে পিএসএলে খেলায় বাংলাদেশের কয়েকজন বড় তারকার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়বে—তবে স্পষ্ট সময়সীমার মধ্যে তারা দেশের ম্যানেজমেন্টের শর্ত মেনে গ্রাউন্ড থেকে দেশে ফিরবেন।