এশিয়ান কাপে বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে উৎসাহদায়ক লড়াই করেও জয় বাঁচাতে পারল না বাংলাদেশ। মাঠে যেন শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল লাল-সবুজরা, বল দখলে ও আক্রমণে আগে থেকেই খেলে ম্যাচটি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছিল তারা। সিঙ্গাপুরের কয়েকটি আক্রমণ অবশ্য সমান্তরালভাবে প্রতিহত করা হয়।
তবে ম্যাচের বাঁক ৩১ মিনিটে এসে বদলে যায়। নিজেদের থেকে একটি লম্বা পাস নিয়ে সিঙ্গাপুর দ্রুত ক্যাটাচ-আপ করে কনট্রা অ্যাটাক চালায়। বাংলাদেশের ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডকে সময়মতো থামাতে পারেননি। প্রথম শটটি রাতের বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমা ক্লাসিক সেভ করতে সক্ষম হলেও ফেরত বলটি ডিফেন্স লাইনের গাফিলতির সুযোগে শেষ পর্যন্ত গোল হিসেবে গৃহীত হয়।
৩৮ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ একটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে শেখ মোরসালিন শট নেন। শটটি ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে গ’ললাইনের দিকে গড়াতে থাকা সময় ফয়সাল আহমেদ ফাহিম বল ছোঁয়ার সময় পড়ে গেলে পেনাল্টির দাবি ওঠে, তবে রেফারি সেই দাবিকে নাকচ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের আক্রমণী মনোভাব আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে। নির্ধারিত সময় গোটা ম্যাচে লাল-সবুজরা সমতা কাঁধে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল; গতিশীল ক্রস, দৌড়ঝাঁপ ও চাপ দেওয়া—সবই দেখা গেছে। তবু শেষ পর্যন্ত কোনো গোল করা সম্ভব হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে হার বজায় রেখে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের এই ম্যাচটি শেষ করতে হয় বাংলাদেশের। আত্মবিশ্বাস ও লড়াকু মনোভাব থাকলেও ছোট খাটো গাফিলতি এবং সমতুল্য সুযোগের কাজে দেরির কারণে জয় দলের নজর এড়িয়ে গেল।





