বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে; এগুলো রুখে দিতে হবে। তিনি ঘৃণার বদলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধই রাখতে সবাইকে অনুরোধ করে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ‘ইস্টার সানডে’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্যবাদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষ ছড়ানোকে মানা হবে না।
তিনি বলেন, “কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। ঘৃণা নয়, বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি।”
ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি অনন্য উদাহরণ যেখানে নানা ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। ইসলাম এখানে প্রধান ধারার অংশ হলেও সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরাও এই মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ। অতীতে ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টা ঘটলেও সেগুলোকে অতিক্রম করে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে—এটাই তার বার্তা।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় দেশকে আরও সমৃদ্ধভাবে গড়ে তোলা সম্ভব। “আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে; সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তা সম্পন্ন করতে চাই,” বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের ভাষ্যে, ঐক্য, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের শক্তি; তাই বিভাজন সৃষ্টিকারী কৌশল বন্ধ করতে এবং সমাজে পরিচ্ছন্ন সম্পর্ক ফেরাতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।





