বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৫)কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
আহতকে সহকর্মীরা উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে তিনি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তৃতীয় তলায় ১ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটির পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মাশুকুর রহমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখকে বিবাদী করা হয়েছে।
অধ্যক্ষ মোঃ মাশুকুর রহমান জানান, ‘মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার অস্থাবর জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাকে নিষেধ করলেও সে হুমকি দিত। বুধবার অফিস কক্ষে ঢুকে মাদ্রাসার কাগজপত্র ও মালামাল এলোমেলো করতে থাকে। তাকে বাধা দিলে রাসেল হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলামকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসলে সে হুমকি দিয়ে চলে যায়।’
অভিযোগের বিপরীতে রাসেল শেখের বাবা আবুল কালাম শেখ হাতুড়ি পেটার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সম্প্রতি মাদ্রাসায় কয়েকটি পদে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে অফিস কক্ষে তর্কবিতর্ক হয়েছে, কিন্তু ছেলেকে হাতুড়ি দিয়ে মারার কথা সত্য নয়।’
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





