চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিস্তারিত পোস্টে বিভিন্ন দাবি ওঠে, যেখানে বলা হয় এটি পরিকল্পিত হত্যা এবং দেশের রাজনীতির সঙ্গে সংগঠনের সম্পৃক্ততা। তবে পুলিশ জানায়, এসব তথ্য ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। পুলিশের মতে, এটা আত্মহত্যার ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত তিনটার দিকে স্থানীয়রা খবর দিলে পাহাড়তলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাউসার আহমেদ, তিনি আকবর শাহ থানার ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক। সংগঠনের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়, তিনি একই সংগঠনের সদর দফতরের সদস্য ছিলেন। নিহতের পরিবারের মূল ধারণা, এটি সময়ের আগেই উছিলা ও মানসিক উদ্বেগের কারণে আত্মহত্যা।
এমনকি আকবর শাহ থানার ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত শোকবার্তায়, মরদেহের রহস্যজনক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বিএসআরএম কোম্পানীর নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরিবার জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক আঘাত ও হতাশায় ভুগছিলেন। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, ফলে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তবে, নিরাপত্তার জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।
পাশাপাশি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে কিছু প্রচারণা ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবী করা হয় যে ব্যক্তি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে পুলিশের ধারণা, এই ধরনের দাবিই প্রোপাগান্ডা। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, নিহত ব্যক্তি মূলত মানসিক চাপ ও হতাশার ফলে আত্মহত্যা করেছেন, এবং এই বিষয়টি তদন্তাধীন।





