মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য নাম মুশফিকুর রহিমকে ওয়ানডে দলে ফেরানোর প্রস্তাব পাওয়ার পরও তিনি তা গ্রহণ করেননি। ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ উপাধি পাওয়া মুশফিক একদিনের ক্রিকেটকে গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর বিদায় জানিয়ে দিয়েছিলেন। অবসরের পরও টাইগারদের জার্সিতে আবারও খেলতে তাকে বলা হলেও ৩৯ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার-ব্যাটার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
গত বছর বাংলাদেশ পরপর চারটি ওয়ানডে সিরিজ হারে এবং তখন মিডল অর্ডারের অবস্থা সন্দেহাতীতভাবে দুর্বল ছিল। সেই সময়ই অভিজ্ঞ মুশফিককে ওয়ানডেতে ডাকা হয়েছিল, কিন্তু তিনি দলকে সামনে রেখে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন — এখন দলের এমন অবস্থান, যেখানে তার অতিরিক্ত সার্ভিস প্রয়োজন হবে না।
পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, “ওয়ানডে সম্পর্কে যে প্রস্তাবটা এসেছিল, তা আমার কাছে এসেছে। তবু আমি মনে করি, বাংলাদেশ দল ইনশাআল্লাহ এমন একটা পর্যায়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও যাবে, ফলে আমার এমন সার্ভিসের প্রয়োজন থাকবে না।”
দেশের হয়ে ২৭৪টি ওয়ানডে খেলেছেন মুশফিক; সেখানে তার সেঞ্চুরি নয়টি এবং মোট রান ৭৭৯৫, গড় ৩৬.৪২। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের পর তিনি বর্তমানে কেবলমাত্র টেস্ট ক্রিকেটেই সক্রিয় রয়েছেন। মুশফিক জানিয়েছেন যে দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননি এবং এখন সেটাই করতে চান।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগেও দারুণ ব্যক্তিগত পারফর্মাররা ছিল, কিন্তু ধারাবাহিকতার দিক থেকে এখনকার টেস্ট দল সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। আগে আমরা বছরে সবচেয়ে বেশি হয়তো তিনটি টেস্ট খেলতাম, তখন ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন ছিল। এখন আমরা বছরে ৮–১০টা টেস্ট খেলি, তাতে ফল উপযোগী হচ্ছে।’
মোট Mil্যতে, মুশফিকের সিদ্ধান্তকে তিনি নিজের ও দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থে নেওয়া হিসেবে দেখাচ্ছেন — জাতীয় টেস্ট দলে আরও মনোযোগ দিয়ে পারফরম্যান্স বজায় রাখাই তার পরিকল্পনা।





