সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে জায়েদ খান—‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিস’ সিরিজে একসঙ্গে

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান বহুদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে কাজ করে আছেন। জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের আগে থেকেই তিনি সেখানে ছিলেন; সরকারের পতনের পর দেশে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও সেটি এখন تک হলো না। আমেরিকায় কাটানো সময়ে তিনি বিভিন্ন স্টেজ শো ও প্রজেক্টে ব্যস্ত থেকেছেন, আর মাঝে মধ্যে বিভিন্ন কারণে চর্চায় থেকেছেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে জায়েদ খানের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। দেখা যায়, তাঁরা ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিস’ শিরোনামের একটি শর্টফিল্মে একসঙ্গে অংশ নিয়েছেন। প্রবাসীর জীবন ও অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে তৈরি এই শর্টফিল্ম সিরিজের প্রথম এপিসোড গেছে মার্চে প্রকাশ পায়; এখন সিরিজটির দ্বিতীয় এপিসোড প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

জায়েদ খান বলেন, “জোহরান মামদানি সরাসরি আমার সঙ্গে এই শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। এই গল্পটা প্রবাসীদের জীবন নিয়ে—এই কাজে সাথী হিসেবে তাঁকে পেয়ে আমি গর্বিত; এটা শুধু আমার ব্যক্তিগত গর্ব নয়, বরং লাল-সবুজ বাংলাদেশের গৌরবও।”

শর্টফিল্মে মেয়রকে যুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে জায়েদ জানান, প্রজেক্টটির ঠিকানার পক্ষ থেকে রুহিন হোসেন ও তাঁর সহধর্মিণী আনুভা শাহীন হোসেন মামদানিকে মেইল করে প্রজেক্টের কথা জানান এবং জায়েদের বিস্তারিত তথ্যও পাঠানো হয়। কিছু দিন অপেক্ষার পর মেয়রের অফিস থেকে শুটিংয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয় এবং সেই অনুযায়ী শুটিং করা হয়।

জায়েদ আরও বলেন, “মেয়র হিসেবে তিনি বিশ্বখ্যাত একজন সেলিব্রিটি—অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব। তবুও তিনি পরিচালকের নির্দেশ মেনে বারবার অভিনয় করেছেন এবং কাজটি করে মনে হয়েছে তিনি সত্যিই খুশি হয়েছেন।”

শর্টফিল্মের দ্বিতীয় এপিসোড আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ঠিকানার ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জন কবির ও সাদ আল আমীন। প্রবাসীদের গল্পে নির্মিত এই সিরিজের নতুন কিস্তি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।