বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনকে ঘিরে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড়সড় চমক দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে জানা গেছে যে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছেন সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও মঈন উদ্দিন।
জেলা ও বিভাগীয় কোটা (ক্যাটাগরি-১) থেকে ফেনী জেলা প্রতিনিধিত্বকারী শরিফুল ইসলাম অপু শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে চট্টগ্রাম বিভাগের দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া ক্লাব কোটার (ক্যাটাগরি-২) দুই প্রার্থী — লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফর রহমান বাদল এবং ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মাহমুদুর রহমান —ও নিজ নিজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে ওই খাতে আরও দুই পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে এক করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই তিন বিভাগে প্রত্যেকেই এক মনোনয়নপত্র জমা হওয়ায় সেখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। ঢাকা বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ যাচাইবাছাই শেষে দুইটি আসনের বিপরীত তিনজন মনোনয়ন জমা দেন; এক জন যাচাইয়ে বাদ পড়ায় ঢাকা বিভাগের দু’জন পরিচালকও চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়েছে।
এর আগেই বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে আছেন: সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরি; বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম (সীমান্ত); ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার মির্জা ফয়সাল আমিন; এবং ঢাকা বিভাগ থেকে সাইদ বিন জামান ও এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।
কিছু বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অব্যাহত আছে। খুলনা বিভাগে তিন প্রার্থী—শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম ও আব্দুস সালাম—দুই আসনের জন্য লড়বেন। বরিশাল থেকে দুইজন মনোনয়ন দিয়েছেন—মিজানুর রহমান ও মুনতাসির আলম চৌধুরি—এখান থেকে একজন নির্বাচিত হবেন।
ক্যাটাগরি-৩ থেকে একাই মনোনয়ন জমা ও বৈধতা প্রমাণ করে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২টি আসনের বিপরীতে ১৬ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন; এই তালিকায় রয়েছে তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইশরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ও মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনসহ আরও অনেকে।
নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকা ও প্রার্থীদের প্রত্যাহার-প্রক্রিয়ার কারণে কিছু আসন এখনই চূড়ান্ত হওয়া সত্ত্বেও অনেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লড়াই অব্যাহত রাখছেন। পরবর্তী ধাপে ভোটের তারিখ ও আনুষ্ঠানিকতার বিস্তারিত বিবরণ কমিশন সূত্রে জানানো হবে।





