বৃহস্পতিবার, ২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঈদের দিনে আবহাওয়া কেমন হবে: কোথায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা?

কাল পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আগেই দেশের বিভিন্ন অংশে উৎসবের মধ্যে মিশে আছে আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঈদের দিন কয়েকটি জায়গায় দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, কিছু স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও আছে। ফলে ঈদের বাইরে-ভিতরে যাবার বা প্ল্যান করার আগে আবহাওয়ার দিকে নজর রাখা জরুরি।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বর্ধিত অংশে একটি লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে যার প্রভাবেই ঈদের দিন বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেটের অনেক এলাকায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

তাপমাত্রার দিক থেকে ঈদের দিনে সাধারণত দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, কিন্তু রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে; সীতাকুণ্ডে সর্বোচ্চ ১০৩ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। ফেনীতে ৭৮ মিমি, চট্টগ্রামে ৫৮ মিমি, ঢাকায় ৪২ মিমি, গোপালগঞ্জে ৩৮ মিমি এবং ফরিদপুরে ৩৭ মিমি বৃষ্টি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে খুলনা ও মোংলায় তাপমাত্রা দেশের মধ্যে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি ছিল।

ঈদের পরে বৃষ্টির প্রবণতা কিছু দিন ধরে বজায় থাকতে পারে। ২৯ মে রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ৩০ মে থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি চলতে পারে। ৩১ মে আবার উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে; চট্টগ্রাম বিভাগসহ কিছু অংশে বজ্রসহ ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে যে, পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা ঈদসহ পরবর্তী দিনগুলোর আবহাওয়া অধিক পরিবর্তনশীল করে তুলতে পারে।

জরুরি পরামর্শ হিসেবে আবহাওয়া সম্পর্কিত সতর্কতা ও আপডেট নিয়মিত দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উৎসব পালন করার সময় ছাতা বা প্রতিবর্তী ব্যবস্থা রাখলে সুবিধা হবে এবং ভ্রমণ বা বহিরঙ্গন আয়োজনের পরিকল্পনায় আবহাওয়া বিবেচনায় রাখা উত্তম।