শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত

বায়তুল মোকাররমে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিজানুর রহমান প্রথম জামাতের ইমামতাস্বল ছিলেন; মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক।

নামাজের আগে ইমাম মুফতি মিজানুর রহমান মুসল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন।

ফজর শেষ হবার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জাতীয় মসজিদে জমায়েত হতে শুরু করেন। নামাজ শুরুর আগেই মসজিদের মূল ভবন, চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মুসল্লি-সমুদ্র দেখা যায়।

প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররমে মোট ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে; এতে ইমাম হিসেবে ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান এবং মুকাব্বির ছিলেন মসজিদের চিফ খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।

তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহর ইমামতায় অনুষ্ঠিত হয়; মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. রুহুল আমিন। চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়; এতে ইমাম হিসেবে ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন এবং মুকাব্বির ছিলেন মো. আব্দুল হাদী।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়; এ জামাতে ইমাম ছিলেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী এবং মুকাব্বির ছিলেন মো. আমির হোসেন।

নির্ধারিত কোনো জামাতে ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম। বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মো. শামসুল হককে।