মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ই-ভ্যাটে হার্ড কপি রিটার্ন অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়ালো এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ই-ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কাগজভিত্তিক (হার্ড কপি) ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে। রোববার এনবিআর-এর এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হার্ড কপিতে জমা দেওয়া পূর্বের মাসিক ভ্যাট রিটার্নগুলো অনলাইনে সংরক্ষণ ও অন্তর্ভুক্ত করতে সুবিধার্থে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে। এ সাব-মডিউলের ব্যবহারের নির্দেশনা জানিয়ে একটি পরিপত্র ৫ জানুয়ারি জারি করা হয়েছিল এবং তখন প্রথমে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে প্ল্যাটফর্মের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কাগজভিত্তিক রিটার্ন অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে আগামী জুলাই থেকে অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় দিয়ে সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাদের হার্ড কপি রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি না করা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন বিধিনিষেধের সম্মুখীন হবে। এ ক্ষেত্রে তাদের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালেন্স) ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত স্থগিত (ফ্রিজ) করে দেওয়া হবে, ফলে ওই স্থিতির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।

রাজস্ব বোর্ড আরও জানায়, ভ্যাট ফেরত (রিফান্ড) আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে থাকা আবশ্যক। তাই পূর্বের সব কাগজভিত্তিক রিটার্ন ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত না করলে রিফান্ডের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

এনবিআর দেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পরিবর্তন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে করদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে এবং ব্যবসায়ীদের দ্রুত ও সুসংগঠিতভাবে প্রয়োজনীয় এন্ট্রি সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে।