বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ই-ভ্যাটে হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি করার সময় ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ালো এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত পুরনো কাগজভিত্তিক ভ্যাট রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করার সময়সীমা বাড়িয়েছে। এনবিআর রোববার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এটি আগামী জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তুতির অংশ।

এনবিআর জানায়, অনলাইন সিস্টেমে কাগজভিত্তিক (হার্ড কপি) রিটার্নগুলো সহজে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব‑মডিউল যোগ করা হয়েছে। এ সাব‑মডিউল ব্যবহারের পদ্ধতি নির্ধারণ করে ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছিল এবং তখন আগের সময়সীমা হিসেবে ৩১ মার্চ মনোনীত করা হয়েছিল।

তবে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হার্ড কপি রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে আপলোড করা হয়নি। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারে এবং জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ব্যবস্থায় সাফলভাবে রূপান্তর ঘটাতে পারে সে লক্ষ্যেই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সতর্ক করে বলেছে, সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে তাদের কাগজভিত্তিক রিটার্নগুলো ই-ভ্যাটে এন্ট্রি না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিধিনিষেধের সম্মুখীন হবে। এমন ক্ষেত্রে তাদের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালেন্স) ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত স্থগিত (ফ্রিজ) করে দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।

এছাড়া ভ্যাট ফেরত (রিফান্ড) আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে থাকা অনिवार্য বলেও এনবিআর জানিয়েছেন। ফলে পূর্ববর্তী রিটার্ন ই-ভ্যাটে অন্তর্ভুক্ত না করলে রিফান্ডের জন্য আবেদন করা যাবে না।

এনবিআর করদাতাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পূরণ করে অনলাইন সিস্টেমে রিটার্ন আপলোড করার জন্য অনুরোধ করেছে এবং দেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছে।