রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের নয় দিন পর রাফিন (২০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, মুক্তিপণ হিসেবে দেওয়া ১২ লাখ টাকা না পাওয়ায় অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খাল থেকে নিহত রাফিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা শুক্রবার রাতে খালের পাশে তৎকালীন অবস্থা দেখে পুলিশকে খবর দেয় এবং শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল বলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

রাফিন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান চালক ছিলেন। পরিবারের রহমান বিস্তারিত বলায়, রাফিন গত ৫ জুন সকালে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন; সন্ধ্যার মধ্যে ফেরেননি। পরে মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হন।

নিহতের দাদি আমেনা বেগম জানান, অপহরণের রাতে অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয় রাফিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে ফিরিয়ে পেতে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। পরে পরিবার আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করে। স্বজনদের দাবি, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সময় তার অবস্থান জানানো হয়নি; বরং ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মারধরের শব্দ শোনা গেছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে এবং এ ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের অভিযোগ ও মুক্তিপণ দাবির বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে।