বুধবার, ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এক দিনে ছিটকে গেল ব্রাজিলের তিন সম্ভাব্য হুমকি

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে দীর্ঘ সময় পিছিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত জেগে ওঠে ব্রাজিল—প্রথমার্ধে ২৯ মিনিটে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে পড়লেও ৫৬ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে সমতা ফেরায় সেলেসাওরা। যোগ করা সময়ে গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনে জায়গা করে নেয় ব্রাজিল। হারের শঙ্কা থাকলেও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ পর্যন্ত ব্যথা নিয়েই মাঠ ছাড়েনি।

দুপুর-সন্ধ্যার ওই উত্তেজনাপূর্ণ জয়ে ব্রাজিল নিশ্চিতভাবে ষোলোতেই উঠে গেল। তবে একই দিনে তাদের জন্য সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া তিন দল—জাপান, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস—কেউই পরের পর্যায়ে যেতে পারেনি। গ্রুপের শীর্ষ হলে ব্রাজিলের সামনে যে জাপান আসত, রানার্স-আপ হলে নেদারল্যান্ডস, আর তৃতীয় হলে জার্মানি—এই সম্ভাব্য সকল প্রতিপক্ষই এক দিনের ব্যবধানে বিদায় নিল।

জাপানের বিরুদ্ধে খেলা ছিল নাটকীয়। আগেরদিকে সুবিধা নিলেও শেষ পর্যন্ত জিতে গেল ব্রাজিল, আর জাপান হতাশার সঙ্গে টুর্নামেন্ট শেষ করল।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে মাঠে নামছিল জার্মানি—তারা প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও পরে সমতা আনতে সক্ষম হয়। তবুও টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের সামনে ঠেকতে পারেনি ঝড়ো ফেভারিটরা; প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরলান্দোর নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ন সেভের একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায় তাদের, টাইব্রেকারে ৪-৩ হারায় জার্মানি।

আর নেদারল্যান্ডস-মরক্কো লড়াইটিও টাইব্রেকারে ঢুকেছিল। মূল সময়েই উত্তেজনা ছিল বেশ—৭২ মিনিটে কোডি খাকপোর গোলে এগিয়ে গেলে অবশ্য যোগ করা সময়ে ইসা দিওপ মরক্কোকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। তারপর টাইব্রেকারে আফ্রিকান শিবিরের সফল শটগুলোই শেষ হাসি হাসায়—৩-২ ব্যবধানে জয় ثبت করে মরক্কো।

ফলত: ব্রাজিল রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত করলেও, তাদের সম্ভাব্য যে তিন প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে ভাবনা হচ্ছিল—সেই তিনই একই দিনে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল, ফলে পরবর্তী রাউন্ডে সম্ভাব্য সমকক্ষদের চিত্রও অনেক বদলে গেল।